প্রগতি লাইফের ২৬তম এজিএমে নগদ ও স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন

প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির ২৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের জন্য মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। অনুমোদিত এই লভ্যাংশের মধ্যে রয়েছে ১৫ শতাংশ নগদ এবং ১০ শতাংশ স্টক বা বোনাস লভ্যাংশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) অনলাইনের মাধ্যমে আয়োজিত এই সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মাননীয় চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল। সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন। পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক ঘোষিত ব্যবসায়িক পারফরম্যান্স ও আর্থিক সূচকে সন্তোষ প্রকাশ করে শেয়ারহোল্ডাররা সর্বসম্মতিক্রমে প্রস্তাবিত লভ্যাংশ গ্রহণ ও অনুমোদন করেন।

বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রগতি লাইফের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যতে বীমা সেবার পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। এছাড়া পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এ. এস. এম মহিউদ্দিন মোনেম, তাজোয়ার এম. আউয়াল, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী, পরিচালক ড. সৈয়দ কামরুল হোসেন, আনোয়ার ফারুক এবং কামরুন নাহার।

সভায় প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ব্যবসায়িক পরিস্থিতি ও অর্জিত সাফল্য তুলে ধরেন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. জালালুল আজিম এবং প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) চন্দ্র শেখর দাস, এফসিএ। হিসাব বিবরণী ও নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক বক্তব্য উপস্থাপন করেন বহিঃনিরীক্ষক অনিল সালাম ইদ্রীস অ্যান্ড কোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের প্রতিনিধিরা। ডিজিটাল মাধ্যমে শেয়ারহোল্ডারদের মতামত ও সার্বিক প্রক্রিয়া দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেন কোম্পানির সচিব জগদীশ কুমার ভঞ্জ, এফসিএস।

বাংলাদেশের লাইফ ইন্স্যুরেন্স খাতে প্রগতি লাইফ দীর্ঘদিন ধরে আস্থা ও পেশাদারিত্বের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। করপোরেট সুশাসন বজায় রাখা, গ্রাহকসেবা ডিজিটালাইজ করা এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্ধারিত এই লভ্যাংশ ঘোষণার ফলে শেয়ারহোল্ডারদের প্রত্যাশা পূরণের পাশাপাশি কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি পাবে, যা ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানের সুদৃঢ় ব্যবসায়িক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

মন্তব্য করুন